Home » » আই কিউ

আই কিউ

আই কিউ

আই. কিউ. (I.Q.): আই. কিউ. শব্দটি ইংরেজি ইনটেলিজেনস ক্যোউশন্ট (Intelligence Quotient)-এর সংক্ষিপ্ত রূপ। এর বাংলা প্রতিশব্দ বুদ্ধ্যঙ্ক। এটি আই, কিউ, হিসাবে অধিক পরিচিত । বুদ্ধ্যঙ্ক (বুদ্ধি+অঙ্ক) বা আই. কিউ. হচ্ছে বুদ্ধির পরিমাপ। আই. কিউ. একটি সূত্র দিয়ে প্রকাশ করা হয়। সূত্র অনুসারে কোনো ব্যক্তির আই. কিউ. হলআই কিউ- ঐ ব্যক্তির মানসিক বয়স ২০* ঐ ব্যক্তির প্রকৃত বয়স প্রকৃত বয়স হল জন্মগ্রহণের পর থেকে যে সময়ে | কোনো ব্যক্তির আই. কিউ. হিসাব করা হচ্ছে সেই সময় পর্যন্ত তার বয়স । যেমন, কারো বয়স ১২ বৎসর; কারো ১২ বৎসর ৩ মাস; কারো ১২ বৎসর ৬ মাস ইত্যাদি হতে পারে। | মানসিক বয়সকে এভাবে ব্যাখ্যা করা যায় সাত বৎসর বয়সের একটি শিশুর বুদ্ধি যদি ১০ বৎসরের | শিশুর মতো হয়, তাহলে ঐ শিশুটির মানসিক বয়স ১০ বৎসর, কিন্তু প্রকৃত বয়স ৭ বৎসর । ঐ শিশুটির আই. কিউ. হবে ১৪৩। আই. কিউ. আসলে মানসিক বয়স ও প্রকৃত বয়সের অনুপাত। এই অনুপাতটি নির্ণয় করলে একটি ছোট ভগ্নাংশ পাওয়া যায় । নির্ণীত ভগ্নাংশকে ১০০ দিয়ে গুণ করলে এটি পূর্ণ সংখ্যায় পরিণত হয়। এতে সুবিধা হয়। সব মানুষের বুদ্ধি সমান নয়, তাই বিভিন্ন মানুষের আই. কিউ.ও | বিভিন্ন হয়। তাত্ত্বিকভাবে মানুষের আই, কিউ, শূন্য থেকে ২০০ অথবা এর অধিক হতে পারে। তবে কোনো | স্বাভাবিক মানুষের আই. কিউ. শূন্য হতে পারে না । কারো আই. কিউ. ১০০ হলে তাকে স্বাভাবিক বুদ্ধিসম্পন্ন, ১০০-এর কম হলে নিমবুদ্ধিসম্পন্ন, বেশি হলে উন্নত বুদ্ধিসম্পন্ন বলা যায় । ফরাসি মনোবিজ্ঞানী আলফ্রে বিনে (Alfred Binet) এবং তাঁর সহকর্মী ডা. সিম (Simon) ১৯০৫ সালে বুদ্ধি পরিমাপের টেস্ট সর্বপ্রথম তৈরি করেন। এই টেস্ট থেকে ব্যক্তির মানসিক | বয়স পরিমাপের ধারণা পাওয়া যায় । ১৯১২ সালে প্রথম জার্মান মনোবিজ্ঞানী ভিলহেল স্টার্ন (Wilhelm Stern) আই. কিউ.-এর ধারণা প্রকাশ করেন।

0 মন্তব্য(গুলি):

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Contact form

নাম

ইমেল *

বার্তা *